শিরোনাম
ঠাকুরগাঁওয়ে কিশোরী গণধর্ষণের শিকার, গ্রেফতার-৩ সিলেটে ফ্যামিলি সমাবেশ অনুষ্ঠিত জৈন্তাপুর উপজেলা সদরের ফতেহখাঁ রোডে বড় বড় গর্ত, চরম দুর্ভোগে পথচারীরা। সিলেটের জাফলং পর্যটন এলাকায় যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা: দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ পর্যটক, হুমকিতে পরিবেশ “মাননীয় সংসদ সদস্য ইমরান চৌধুরীর প্রতি একটি খোলা চিঠি” নেত্রকোনায় অধিগ্রহণকৃত জমির মূল্য নির্ধারণে অনিয়মের অভিযোগ, ন্যায্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে পাঁচ শতাধিক মানুষের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি অপরাধ দমনে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্প নিচ্ছে সিসিক পর্যায়ক্রমে সিলেটকে একটি দৃষ্টিনন্দন, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই সবুজ নগরীতে রূপান্তর করা হবে – সিসিক প্রশাসক  দোয়ারাবাজারে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত ধর্ষক গ্রেফতার ক্যানসারে আক্রান্ত আব্দুল মজিদ বাঁচতে চায়
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ন

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে আবারো বন্য হাতির তান্ডব ও এক কৃষকের গোলার ধান খেয়ে সাবাড়! 

স্টাফ রিপোর্টার / ১৩০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩ জুন, ২০২৫

64

শেরপুর  প্রতিনিধি:

শেরপুর জেলার  ঝিনাইগাতীতে মোবারক হোসেন নামে আরো এক কৃষকের গোলার ধান খেয়ে সাবাড় ও বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে বন্যহাতির পাল।

সোমবার ২ জুন রাতে অর্ধশতাধিক বন্যহাতি উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের সন্ধ্যাকুড়া গ্রামে এই তান্ডব চালায়। মোবারক হোসেন ওই গ্রামের মোতালেব হোসেনের ছেলে। স্থানীয়রা জানান,সোমবার রাত আনুমানিক ১২ টার দিকে অর্ধশতাধিক বন্যহাতির একটি পাল গোমড়া ও সন্ধ্যাকুড়া এলাকায় তান্ডব চালায়।

এসময় হাতির পাল কৃষক মোবারক হোসেনের ঘরের বেড়া ভেঙে ঘরে থাকা ৩৫ মন ভোট্টা ৩০মন ধান চাল খেয়েও পায়ে মারিয়া সাবাড় করে। এছাড়া ঘরের আসবাবপত্র গুলো গুড়িয়ে দেয়। এ নিয়ে গত এক সপ্তাহে উপজেলার সীমান্তের গারো পাহাড়ে ১০ টি বাড়ি গুড়িয়ে দেয়ার পাশাপাশি কৃষকদের গোলার ধান খেয়ে সাবাড় করেছে বন্যহাতির পাল। এসব ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের বাড়িঘর বনবিভাগের জমির উপর হওয়ায় ক্ষতিপূরনের টাকাও পাচ্ছেন না কৃষকরা।

ফলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা রয়েছেন চরম বিপাকে। বর্তমানে উপজেলার পাহাড়ি গ্রামগুলোতে বন্যহাতির তান্ডব অব্যাহত রয়েছে। ফলে আতঙ্কে নির্ঘুম রাত যাপন করছেন পাহাড়ি গ্রামবাসীগণ। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মধুটিলা রেঞ্জ কর্মকর্তা দেয়ান আলী বলেন, বনের জমিতে ঘর-বাড়ী নির্মাণ করে যেসব পরিবার রয়েছে, তারা ক্ষতিপূরনের কোন টাকা পাবেন না। ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএও ) মো. আশরাফুল আলম রাসেল বলেন. এই সমস্যাটি অনেক পুরনো সমস্যা। যা রাষ্ট্রীয় ভাবে  ছাড়া সমাধানের কোনই পথ নেই।

 

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ