শিরোনাম
নেত্রকোনায় অধিগ্রহণকৃত জমির মূল্য নির্ধারণে অনিয়মের অভিযোগ, ন্যায্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে পাঁচ শতাধিক মানুষের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি অপরাধ দমনে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্প নিচ্ছে সিসিক পর্যায়ক্রমে সিলেটকে একটি দৃষ্টিনন্দন, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই সবুজ নগরীতে রূপান্তর করা হবে – সিসিক প্রশাসক  দোয়ারাবাজারে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত ধর্ষক গ্রেফতার ক্যানসারে আক্রান্ত আব্দুল মজিদ বাঁচতে চায় দক্ষিণ সুরমার হুমায়ুন চত্ত্বর, পুরান পুলের মুখ, রেলগেইট যানজটের ‘হটস্পট’  সুনামগঞ্জ সদরে বালু পাথর ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালিত। ক্রাশার মেশিন ১টি  ২০০০ ফিট বড় পাথর ৮০০ ফিট ভাঙ্গা পাথর জব্দ।      ছাতকে ৪৪ বছরের ইমামতি জীবনের সমাপ্তিতে মৌলভী কবির আহমদের রাজকীয় বিদায়ী সংবর্ধনা ছাতক সরকারি কলেজ-কে শিক্ষা সহ  সকল ক্ষেত্রে আমরা এগিয়ে নিতে চাই— কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন এমপি গোয়াইনঘাটে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৪:১০ অপরাহ্ন

জমে উঠেছে নীলফামারীর ঐতিহ্যবাহী ভবানীগঞ্জ পশুর হাট

স্টাফ রিপোর্টার / ১৯১ Time View
Update : সোমবার, ২ জুন, ২০২৫

72

নীলফামারী প্রতিনিধি:

কোরবানির ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই জমজমাট হয়ে উঠছে নীলফামারীর হাট-বাজারগুলো। জেলার অন্যতম ব্যস্ত ও ঐতিহ্যবাহী গোড়গ্রামের ভবানীগঞ্জ হাট এখন সরগরম কোরবানির পশু ও নানাবিধ পণ্যের কেনাবেচায়। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত ছাড়াও আশপাশের জেলা থেকেও ক্রেতা-বিক্রেতারা আসছেন এ হাটে। পরম যতেœ লালনপালন করা গরু, ছাগলসহ অন্যান্য কোরবানির পশুতে ভরে উঠেছে হাট প্রাঙ্গণ। ভিড় জমেছে ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের। এরই সঙ্গে হাটে চলছে সবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় কাঁচামালের বেচাকেনাও।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সরকার নির্ধারিত টোল হার অনুসারে গরু প্রতি ৫০০ টাকা, ছাগল ১৬০ টাকা, হাঁস-মুরগি ১০ টাকা এবং পেঁয়াজ-আদা-রসুন মনপ্রতি ১০ টাকা হারে আদায় করা হচ্ছে। পুরো হাটজুড়ে টোল আদায়ের বিষয়ে সচেতন করতে মাইকিং করা হচ্ছে। নির্ধারিত মূল্য ব্যতীত অতিরিক্ত টাকা না দিতে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সতর্ক করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। জাল টাকা শনাক্তে স্থাপন করা হয়েছে বুথ ও মেশিন এবং নিয়মিত মনিটরিংয়ের জন্য মোতায়েন রয়েছেন সংশি¬ষ্ট কর্মকর্তারা।

হাঁটে আসা বিক্রেতা কবিনুর রহমান জানান, “গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার হাটের পরিবেশ ভালো। ব্যবস্থাপনাও উন্নত।” কাঁচামাল ব্যবসায়ী মোখছেদ আলী বলেন, “তহশীলদার নিয়মিত হাটে ঘুরে দেখছেন। কারও কাছ থেকে যেন অতিরিক্ত টাকা না নেওয়া হয়, তা নিশ্চিত করছেন।”

গরু ক্রেতা মফিজার রহমান বলেন, “আগে কখনও টোল-খাজনার চার্ট চোখে পড়েনি। এবার হাটে বিভিন্ন জায়গায় চার্ট টাঙানো রয়েছে। এতে সব পণ্যের নির্ধারিত টোল স্পষ্টভাবে উলে¬খ রয়েছে, যা আমাদের জন্য সুবিধাজনক।”

গোড়গ্রাম ইউনিয়নের ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা এ এম কাউসার ঈ হুদা বলেন, “হাটে নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ চলছে। কেউ যেন অতিরিক্ত টোল আদায় করতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি রয়েছে। ফলে ক্রেতা-বিক্রেতারা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ক্রয়-বিক্রয় করতে পারছেন।”

নীলফামারী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “সরকার নির্ধারিত ফি ছাড়া অতিরিক্ত টোল নেওয়া যাবে না, এমন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোনো ব্যত্যয় হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। হাট ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে জাল নোট শনাক্তকারী যন্ত্রসহ সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আগামী অর্থবছরে হাটগুলোর আরও উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ