শিরোনাম
গোয়াইনঘাটে বিএনপি নেতা তৈয়বুর ও কাওসার এর নেতৃত্বে চেঙ্গেরখাল নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন  বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় শক্তিশালী এখন অনলাইন গণমাধ্যম – ইমদাদ হোসেন চৌধুরী  চেঙ্গেরখাল নদী গর্ভে সালুটিকর গাংকিনারী সড়ক:: সরেজমিন পরিদর্শন করলেন আব্দুল হাকিম চৌধুরী, ইউএনও ও পিআইও বালু উত্তোলন বন্ধে জাফলংয়ে প্রশাসনের অভিযান: পেলুডার ও ট্রাক জব্দ, আটক ২ ঠাকুরগাঁওয়ে জিংক ধানের সম্প্রসারণে এগ্রো ডিলার ও বীজ ডিলারদের প্রশিক্ষণ প্রদান ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ই/স/রা/য়েলের হা/ম/লা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে তেহরানের পাল্টা হা/ম/লায় মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ভালোভাবে নজর রাখছে বাংলাদেশ।  সরকারি সম্পদ যে কোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে — শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী । গোয়াইনঘাটর  ডালার পারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ধ্বংস পরিবেশ, নেতৃত্বে কে এই স্বপন?  ডেবিল স্বপন সহ তার সহযোগীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক?  অবৈধভাবে বালুমহাল চালু ও পাথর উত্তোলন করা যাবে না- শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী। এক রাস্তার শহর কুলাউড়া; অগণিত যানবাহনে দমবন্ধ সময়
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৩ অপরাহ্ন

কালীগঞ্জে ঝড়ে উড়ে গেছে ভিক্ষুকের ঘর, খবর রাখেনি কেউ

স্টাফ রিপোর্টার / ১৩৭ Time View
Update : রবিবার, ১৮ মে, ২০২৫

লালমনিরহাট প্রতিনিধি:

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে কালবৈশাখী ঝড়ে উড়ে গেছে এক প্রতিবন্ধী ভিক্ষুকের ঘর। টিন, বাঁশ, কাঠ সব ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে। আশ্রয়হীন প্রতিবন্ধী এখন খোলা আকাশের নিচেই ২১ দিন ধরে অসুস্থ স্ত্রীকে নিয়ে রাত্রিযাপন করছেন।গত ২৮ এপ্রিল উপজেলার দলগ্রাম ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের প্রতিবন্ধী ইউসোফ আলীর ঘর কালবৈশাখী ঝড়ে উড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে । এ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত স্থানীয় জনপ্রতিনিধি কিংবা উপজেলা প্রশাসনের কেউ খোঁজ নেয়নি বলে জানান ওই প্রতিবন্ধী।

১৮ মে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে,ওই প্রতিবন্ধীর নিজের কোন জমি নেই অন্যের জমিতে কযেকটি টিন দিয়ে ঘর তৈরি করে থাকতেন । তার একমাত্র সম্বল টিনের ঘরটি উড়ে গেছে কালবৈশাখী ঝড়ে। খোলা আকাশের নিচে পড়ে আছে কাঠের ভাঙ্গাচোরা চোকি, কাঁথা-বালিশ ও হাড়ি-পাতিল।ভাঙা ঘরে উঁকি দিচ্ছে আকাশে ঘনকালো মেঘের আনাগোনা। এই বুঝি নামবে বৃষ্টি। ভিজে যাবে উড়ে যাওয়া ঘরে থাকা বসবাসের বিছানাপত্র। এরকম ভাঙা ঘরে বসে দুশ্চিন্তায় দু’চোখজুড়ে হতাশার ছাপ প্রতিবন্ধী ইউসোফ আলীর। ২১ দিনেও ঘর মেরামত করতে না পারায় অসুস্থ স্ত্রী সারেজা বেগমকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন ওই প্রতিবন্ধী।

প্রতিবন্ধী ইউছোব কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, “সেদিন মুই ঘরোত অসুস্থ বউয়োক নিয়া শুতি আছুং। আইতোত হুরকা বাতাসে মোর ঘরোত বাতাস আসিয়া ঘর উল্টে দিছে বাবা। মেম্বার-চেয়ারম্যান কাও আইসে নাই। ঠিকমতোন খাবার পাংনা বাবা। মুই ঘর তুলিম কেমন করি।হামার এটেকার চকিদার আসি মোর ভোটের ছবি আর ভাঙ্গা ঘরের ছবি নিয়া গেইছে আর আইসে নাই। ” কায় হামার ঘর ভাল করি দেয় বাবা।

ওই গ্রামের খাইরুল নামের এক ব্যবসায়ী বলেন “অসহায় এই পরিবারটি প্রাকৃতিক দুর্যোগে গৃহহারা হওয়ার ২১ দিন ধরে খোলা আকাশের নীচে বসবাস করছেন। এখনও পরিবারটি সরকারি কোন সহযোগিতা পায়নি ।

এদিকে উপজেলা প্রশাসনের কেউ এখনও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ায়নি বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

 

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ