শিরোনাম
নেত্রকোনায় অধিগ্রহণকৃত জমির মূল্য নির্ধারণে অনিয়মের অভিযোগ, ন্যায্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে পাঁচ শতাধিক মানুষের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি অপরাধ দমনে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্প নিচ্ছে সিসিক পর্যায়ক্রমে সিলেটকে একটি দৃষ্টিনন্দন, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই সবুজ নগরীতে রূপান্তর করা হবে – সিসিক প্রশাসক  দোয়ারাবাজারে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত ধর্ষক গ্রেফতার ক্যানসারে আক্রান্ত আব্দুল মজিদ বাঁচতে চায় দক্ষিণ সুরমার হুমায়ুন চত্ত্বর, পুরান পুলের মুখ, রেলগেইট যানজটের ‘হটস্পট’  সুনামগঞ্জ সদরে বালু পাথর ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালিত। ক্রাশার মেশিন ১টি  ২০০০ ফিট বড় পাথর ৮০০ ফিট ভাঙ্গা পাথর জব্দ।      ছাতকে ৪৪ বছরের ইমামতি জীবনের সমাপ্তিতে মৌলভী কবির আহমদের রাজকীয় বিদায়ী সংবর্ধনা ছাতক সরকারি কলেজ-কে শিক্ষা সহ  সকল ক্ষেত্রে আমরা এগিয়ে নিতে চাই— কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন এমপি গোয়াইনঘাটে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৫:৪২ অপরাহ্ন

বিশ্বনাথে ১৩ বছর পর মন্ত্রী, পুলিশসহ ৪০৫ জন আ’লীগ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

স্টাফ রিপোর্টার / ১৫৭ Time View
Update : বুধবার, ৭ মে, ২০২৫

55

সেলিম মাহবুব,:

সাবেক প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী, বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মুহিবুর রহমান, এসএম নুনু মিয়া, সিনিয়র সাংবাদিক ও কলামিষ্ট এএইচএম ফিরোজ আলী, বিশ্বনাথ থানার ওসি আবুল কালাম, ওসি তদন্ত চান মিয়া, এসআই মনজকান্তি, আব্দুল আলিম, নজরুল ইসলাম, দেবদুলাল ও এনামসহ ১০৫ জনের নাম উল্লেখ পূর্বক আরো অজ্ঞাতনামা ৩০০ জনকে আসামি করে (৬মে) মঙ্গলবার মামলা দায়ের করা হয়।সিলেটের ৩ নং আমলি আদালতে দায়েরী মামলার বাদী হচ্ছেন,রামপাশা গ্রামের মৃত আছলাম আলীর পুত্র মোঃ হাবিবুর রহমান। দীর্ঘ ১৩ বছর পর মামলা দায়েরের ঘটনায় বিশ্বনাথে আতঙ্ককের সৃষ্টি হয়েছে। বাদীর আইনজীবি এ্যডভোকেট হাসান আহমদ পাটোয়ারী বলেন, মামলাটি দায়ের করা হয়েছে,তবে আদেশের জন্য আদালত রেখেছেন। মামলার বাদী বলেন, মামলা দায়ের করেছি এখনও নম্বর জানতে পারিনি। বাদীর আদালতে দাখিলকৃত অভিযোগ থেকে জানাযায়, সাবেক সাংসদ ও বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী নিখোঁজ হওয়ার পর ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিশ্বনাথে মিছিল বের করলে মিছিলটি বাসিয়া ব্রিজের উত্তর পারে রামপাশা রোডে আসামাত্র শফিকুর রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে অভিযুক্তরা মিছিলে হামলা করে। পুলিশসহ হামলাকারিরা অনবরত গুলি করে মিছিলকারিদের জখম করে। এতে বাদী ও তার ভাতিজাসহ অনেকেই আহত হন। আহতরা ওসমানী হাসপাতাল, মৌলভী বাজার ও বিভিন্ন স্থানে গিয়ে চিকিৎসা গ্রহন করেন। বাদী আরো উল্লেখ করেন, দীর্ঘ দিন মামলা দায়েরের সুযোগ না পেয়ে ৫ আগষ্ট আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর বর্তমানে আইনের শাসন প্রতিষ্টা হওয়ায় আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। মামলার আসামিরা হচ্ছেন, আমতৈল গ্রামের ইমাদ উদ্দিন, ধর্মদা গ্রামের শাহ আসাদুজ্জামান, বিশ্বনাথের গাও গ্রামের ফারুক আহমদ, তেলিকোনা গ্রামের মুহিবুর রহমান সুইট, মীরের চর গ্রামের রফিক হাসান, জানাইয়া গ্রামের শিক্ষিকা নেহারুন নেছা, বিশ্বনাথ বাজারের শংকুর দাস শংকু, তেলিকোনা গ্রামের মিজাজুল, গুমরাগুল গ্রামের আরশ আলী গনী, সেনার গাও গ্রামের আশিক আলী, জাহারগাও গ্রামের ওয়ারিছ খান, শাহজির গাঁও গ্রামের ফয়জুল ইসলাম, রাজনগর গ্রামের ফজর আলী, সাতপাড়া গ্রামের আলী আহমদ,জানাইয়া গ্রামের আব্দুল আজিজ সুমন, হোসেনপুর গ্রামের কবির আহমদ কুব্বার, জানাইয়া গ্রামের আব্দুল জলিল জালাল, জাহারগাও গ্রামের রুহেল খান, সরুওয়ালা গ্রামের ছয়ফুল হক, সাতপাড়া গ্রামের আমির আলী, ধনপুর গ্রামের ওয়াহাব আলী, মীরের চর গ্রামের আলতাব হোসেন, আব্দুল করিম, রাজনগর গ্রামের মিজানুর রহমান, সোহেল তালুকদার, জানাইয়া গ্রামের জুনাব আলী, শফিক মিয়া, মখদ্দুস আলী, শামিম আহমদ, কাঠলী পাড়া গ্রামের পাপ্পু, শাহজির গাও গ্রামের রফিক আলী, আমতৈল গ্রামের আজিজুর রহমান, নজরুল ইসলাম, সাংগীরাই গ্রামের এনামুর হক এনাম, মৌলভীর গাও গ্রামের মাহফুজুর রহমান, লুকমান মিয়া, তাহমিদ আহমদ নাদেল, জানাইয়া গ্রামের বসারত আলী বাচা, মারফত আলী, খায়রুল মিয়া, শামিম আহমদ, হিমিদ পুরের হিরন মিয়া,জানাইয়া গ্রামের শাহিন আহমদ, জগদিশপুর গ্রামের নজির আহমদ, রাজনগর গ্রামের মঞ্জুর আলী, সালমান আহমদ রব্বানী, দোহাল গ্রামের জামাল আহমদ, নতুন বাজারের আল-হেলাল, বড় খুরমা গ্রামের হিরা মিয়া, মৌলভীগাও গ্রামের আব্দুল মনাফ, জয়নাল আবেদীন, সাব্বির আহমদ, দেওকলসের ফখরুল আহমদ মতছিন, দশপাইকা গ্রামের জুনাব আলী, শ্রীধরপুর গ্রামের আব্দুল বাতিন, শিমুলতলা গ্রামের আব্দুল হান্নান তোতা, কামরুল,পশ্চিমমন্ডল কাপন গ্রামের মহব্বত আলী জাহান, শাহজির গ্রাও গ্রামের শানুর আলী, রুপালী, জাহার গাও গ্রামের ফিরোজ খা, পুরান বাজারের রিমন কান্তি দাস, জানাইয়া গ্রামের রাজন, আব্দুল আজিজ আইজু, আব্দুর রব, ফখরুল ইসলাম, শ্রীধরপুর গ্রামের শাহজাহান সিরাজ, চৌধুরী গাও গ্রামের ছোরাব আলী, কাদিপুর গ্রামের আব্দুস সাত্তার, শানুর আলী, আব্দুল হক, লামারচকের শহিদ আহমদ, শ্রীপুরর দুদু মিয়া, সুফতির গাও গ্রামের বদরুল ইসলাম, শংকর চন্দ্র ধর, বাজিতপুরের আব্দুল হান্নান বদরুল, বিশ্বনাথের সমরেন্দ্র বৌদ্ধ, সুখি পুরের মুজিবুর রহমান, নতুন বাজারের হাবিব মিয়া, দৌলতপুরের আরিফ উল্লাহ সিতাব, মোল্লারগাঁও গ্রামের সিতাব আলী, ইলামের গাও গ্রামের লোকমান আলী, হরিকলসের নোয়াব আলী, টেংরা আলী আলীপাড়ার সিতাব আলী, মীরের গাও গ্রামের আবুল কালাম, কেশবপুরের আমিরুল ইসলাম, পাড়ুয়া গ্রামের সাইফুল ইসলাম, কামালপুরের বাবুল মিয়া, জগদীশ পুরের নাজমুল ইসলাম, পুরানগাও গ্রামের ইমরান আহমদ, নরশিংপুর গ্রামের নজির মিয়া, আমতৈল গ্রামের মুহিবুর রহমান, বাইশঘরের শিব্বির আহমদ শিবলী, কোনাউরা নোয়াগাও গ্রামের শানুর আলীসহ অজ্ঞাতনামা আরো ৩ শ জন সহ ওই দিনের ঘটনায় মোট ৪০৫ জনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করা হয়।

 

 

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ