শিরোনাম
নেত্রকোনায় অধিগ্রহণকৃত জমির মূল্য নির্ধারণে অনিয়মের অভিযোগ, ন্যায্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে পাঁচ শতাধিক মানুষের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি অপরাধ দমনে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্প নিচ্ছে সিসিক পর্যায়ক্রমে সিলেটকে একটি দৃষ্টিনন্দন, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই সবুজ নগরীতে রূপান্তর করা হবে – সিসিক প্রশাসক  দোয়ারাবাজারে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত ধর্ষক গ্রেফতার ক্যানসারে আক্রান্ত আব্দুল মজিদ বাঁচতে চায় দক্ষিণ সুরমার হুমায়ুন চত্ত্বর, পুরান পুলের মুখ, রেলগেইট যানজটের ‘হটস্পট’  সুনামগঞ্জ সদরে বালু পাথর ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালিত। ক্রাশার মেশিন ১টি  ২০০০ ফিট বড় পাথর ৮০০ ফিট ভাঙ্গা পাথর জব্দ।      ছাতকে ৪৪ বছরের ইমামতি জীবনের সমাপ্তিতে মৌলভী কবির আহমদের রাজকীয় বিদায়ী সংবর্ধনা ছাতক সরকারি কলেজ-কে শিক্ষা সহ  সকল ক্ষেত্রে আমরা এগিয়ে নিতে চাই— কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন এমপি গোয়াইনঘাটে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৪:০৪ অপরাহ্ন

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বৃদ্ধা মোমেনার ভাগ্যে জোটেনি বিধবা ভাতার কার্ড!

স্টাফ রিপোর্টার / ১৬৭ Time View
Update : বুধবার, ৭ মে, ২০২৫

62

শেরপুর  প্রতিনিধি:

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতীতে স্বামীর মৃত্যুর পর ৭ বছরে ও মমেনা বেগম (৬০) মালার ভাগ্যে জুটেনি বিধবা ভাতার কার্ড। সহায় সম্বল বলতে কিছুই নেই তার। নেই তার নিজস্ব কোন ঘর বাড়ি। অন্যের বাড়িতেই রাত কাটে তার। মমেনা ঝিনাইগাতী উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের গোমড়া গ্রামের দিনমজুর মরহুম ফজল হকের স্ত্রী।

৭ বছর আগেই মমেনা বেগমের স্বামীর মৃত্যু হয়। ৩ ছেলেই বিয়ে করে আলাদা থাকেন। জীবিকা নির্বাহের জন্য একেক ছেলে দেশের একেক জায়গায় থাকেন। তাদের সংসারের অবস্থা ও যেনো নুন আনতে পান্তা ফুরায়। দিনমজুরি করে চলতো মমেনা বেগমের সংসার। কিন্তু বয়সের ভারে মমেনা বেগম এখন আর মজুরিও খাটতে পারেন না। তবুও থেমে নেই মমেনা বেগমের বেঁচে থাকার জীবন যুদ্ধ।

একটি ঠেলা জাল নিয়ে বাড়ির পাস দিয়ে বয়ে চলা মহারশি নদী থেকে মাছ ধরে স্থানীয়দের কাছে বিক্রি করে কোন রকম খেয়ে না খেয়ে চলে তার জীবন।

প্রতিদিন সকালে মমেনা বেগম ২/৩ ঘন্টা মাছ ধরে ৪০/৫০ টাকায় বিক্রি করে এ টাকায় কোন রকমে খেয়ে না খেয়ে অনাহারে মানবেতর জীবনযাপন করে আসছেন।

মমেনার ভাগ্যে জুটেনি গুচ্ছ গ্রামের একটি সরকারি ঘর। ভাগ্যে জোটেনি বিধবা ভাতার কার্ডসহ কোন প্রকার সরকারী কোন সাহায্য- সহযোগীতা। মমেনা বেগম জানান, আজ পর্যন্ত কোনো স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে একটি চালের স্লিপ পর্যন্ত পাননি তিনি। অসুস্থ হলেও দেখার কেউ নেই তার!

এ ব্যাপারে নলকুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রুকুনুজ্জামান বলেন, এর পর সরকারী কোন সাহায্য এলে মমেনা বেগমকে প্রদান করা হবে।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ