শিরোনাম
৬৩ এতিম মেয়েকে জীবন সঙ্গী দিলো সিডস অব সাদাকাহ, :আনুষ্ঠানিকতায় বিশিষ্টজনের উপস্থিতি  নতুন নববর্ষের সকালে- দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পূজো দিতে ভক্তদের যনজোয়ার জাফলংয়ে কূপ থেকে দেশীয় পিস্তল উদ্ধার, আটক ৩ ভারতীয় সিএনজি আসছে বাংলাদেশ  হচ্ছে যন্ত্রাংশ পরিবর্তন চক্রের এক সদস্য আটক জাফলংয়ে মুসলিমনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মৃত ব্যক্তির পরিচয় জানতে চায় কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ: শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল সংস্কার, মানসম্মত শিক্ষা ও নকলমুক্ত পরীক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর: -শিক্ষামন্ত্রী সিলেট,  রাজনগরের কুশিয়ারায় ১৫৬ কেজির বিশাল বাঘ মাছ, দেখতে ভিড় সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ রোপওয়ে বাঙ্কার এলাকায় পাথর উত্তোলনের সময় গর্তের বালু ধসে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। জুড়ী অঞ্চলের মাটি উর্বর,তাই জুড়ীকে কৃষি হাবে রূপান্তরে সরকারের উদ্যোগ করেছে সরকার –মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০১ অপরাহ্ন

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বৃদ্ধা মোমেনার ভাগ্যে জোটেনি বিধবা ভাতার কার্ড!

স্টাফ রিপোর্টার / ১৪৩ Time View
Update : বুধবার, ৭ মে, ২০২৫

8

শেরপুর  প্রতিনিধি:

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতীতে স্বামীর মৃত্যুর পর ৭ বছরে ও মমেনা বেগম (৬০) মালার ভাগ্যে জুটেনি বিধবা ভাতার কার্ড। সহায় সম্বল বলতে কিছুই নেই তার। নেই তার নিজস্ব কোন ঘর বাড়ি। অন্যের বাড়িতেই রাত কাটে তার। মমেনা ঝিনাইগাতী উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের গোমড়া গ্রামের দিনমজুর মরহুম ফজল হকের স্ত্রী।

৭ বছর আগেই মমেনা বেগমের স্বামীর মৃত্যু হয়। ৩ ছেলেই বিয়ে করে আলাদা থাকেন। জীবিকা নির্বাহের জন্য একেক ছেলে দেশের একেক জায়গায় থাকেন। তাদের সংসারের অবস্থা ও যেনো নুন আনতে পান্তা ফুরায়। দিনমজুরি করে চলতো মমেনা বেগমের সংসার। কিন্তু বয়সের ভারে মমেনা বেগম এখন আর মজুরিও খাটতে পারেন না। তবুও থেমে নেই মমেনা বেগমের বেঁচে থাকার জীবন যুদ্ধ।

একটি ঠেলা জাল নিয়ে বাড়ির পাস দিয়ে বয়ে চলা মহারশি নদী থেকে মাছ ধরে স্থানীয়দের কাছে বিক্রি করে কোন রকম খেয়ে না খেয়ে চলে তার জীবন।

প্রতিদিন সকালে মমেনা বেগম ২/৩ ঘন্টা মাছ ধরে ৪০/৫০ টাকায় বিক্রি করে এ টাকায় কোন রকমে খেয়ে না খেয়ে অনাহারে মানবেতর জীবনযাপন করে আসছেন।

মমেনার ভাগ্যে জুটেনি গুচ্ছ গ্রামের একটি সরকারি ঘর। ভাগ্যে জোটেনি বিধবা ভাতার কার্ডসহ কোন প্রকার সরকারী কোন সাহায্য- সহযোগীতা। মমেনা বেগম জানান, আজ পর্যন্ত কোনো স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে একটি চালের স্লিপ পর্যন্ত পাননি তিনি। অসুস্থ হলেও দেখার কেউ নেই তার!

এ ব্যাপারে নলকুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রুকুনুজ্জামান বলেন, এর পর সরকারী কোন সাহায্য এলে মমেনা বেগমকে প্রদান করা হবে।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ