শিরোনাম
৬৩ এতিম মেয়েকে জীবন সঙ্গী দিলো সিডস অব সাদাকাহ, :আনুষ্ঠানিকতায় বিশিষ্টজনের উপস্থিতি  নতুন নববর্ষের সকালে- দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পূজো দিতে ভক্তদের যনজোয়ার জাফলংয়ে কূপ থেকে দেশীয় পিস্তল উদ্ধার, আটক ৩ ভারতীয় সিএনজি আসছে বাংলাদেশ  হচ্ছে যন্ত্রাংশ পরিবর্তন চক্রের এক সদস্য আটক জাফলংয়ে মুসলিমনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মৃত ব্যক্তির পরিচয় জানতে চায় কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ: শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল সংস্কার, মানসম্মত শিক্ষা ও নকলমুক্ত পরীক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর: -শিক্ষামন্ত্রী সিলেট,  রাজনগরের কুশিয়ারায় ১৫৬ কেজির বিশাল বাঘ মাছ, দেখতে ভিড় সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ রোপওয়ে বাঙ্কার এলাকায় পাথর উত্তোলনের সময় গর্তের বালু ধসে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। জুড়ী অঞ্চলের মাটি উর্বর,তাই জুড়ীকে কৃষি হাবে রূপান্তরে সরকারের উদ্যোগ করেছে সরকার –মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০১:১৮ অপরাহ্ন

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বোরো ক্ষেতে সুলসুলি ও মাজরা পোকার আক্রমণ, ধানের মরা শীষ নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক!

স্টাফ রিপোর্টার / ১৪৭ Time View
Update : রবিবার, ৪ মে, ২০২৫

4

শেরপুর প্রতিনিধি:

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার উত্তর দাড়িয়ারপাড়,খৈলকুড়া, নলকুড়া,বন্ধভাটপাড়া,ডেফলাই,সহ উপজেলার চলতি বোরো আবাদের বিস্তীর্ণ এলাকার ফসলের মাঠে ব্যাপক সুলসুলি ও মাজরা পোকার আক্রমণে ধানক্ষেত শুকিয়ে যাচ্ছে এবং মরা শীষ বের হচ্ছে। এতে চিটা হয়ে যাওয়ায় ধানের ফলন কম হওয়ার আশঙ্কায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। উপজেলা কৃষি অফিসার ফরহাদ হোসেন বলেন চলতি বোরো মৌসুমে ঝিনাইগাতি উপজেলায় ১৪,৬০৬ হেক্টর জমিতে বোরোধান আবাদ হয়েছে। জলবায়ু ও আবহাওয়া পরিবর্তন জনিত কারনে মাজরা পোকার আক্রমণ শেরপুরসহ অন্যান্য স্হানেও বিগত বছরের তুলনায় বেশি। ঝিনাইগাতিসহ শেরপুর জেলায় প্রায় ৭০% জমিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের হাইব্রিড ধান আবাদ হয়। উচ্চ ফলনশীল জাতের হাইব্রিড ধানে মাজরা পোকা আক্রমণ বেশি করে। উষ্ণ ও আর্দ্রযুক্ত আবহাওয়া অর্থাৎ ৮০-৯০% আপেক্ষিক আর্দ্রতা এই পোকার সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য উপযুক্ত।

এই বছর বোরো মৌসুমে অনুকুল আবহাওয়া বিরাজ করেছে তাই আক্রমণ বেশি। যদি প্রতি একর জমিতে  শতকরা ৫-৮ ভাগের বেশি মরা শীষ বের  হয়  তাহলে ফলন কম হওয়ার আশঙ্খা রয়েছে। তাই সাদা শীষ দেখলেই ভয় পাওয়ার কারন নেই। ২-৮% সাদা শীষ থাকলেও ফলনে কোন প্রভাব পড়ে না। ফসলের মাঠে রোগ বালাই দেখা দিলে উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তাদের সাথে পরামর্শ করে ভালো কোম্পানির কীটনাশক প্রয়োগ করার জন্য কৃষক প্রশিক্ষণ, মাঠ দিবস ও উঠান বৈঠকে আমরা পরামর্শ দিয়ে থাকি।  এছাড়াও মাঠ পর্যায়ে উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা সরেজমিনে ফসলের মাঠ পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ