শিরোনাম
ঠাকুরগাঁওয়ে কিশোরী গণধর্ষণের শিকার, গ্রেফতার-৩ সিলেটে ফ্যামিলি সমাবেশ অনুষ্ঠিত জৈন্তাপুর উপজেলা সদরের ফতেহখাঁ রোডে বড় বড় গর্ত, চরম দুর্ভোগে পথচারীরা। সিলেটের জাফলং পর্যটন এলাকায় যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা: দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ পর্যটক, হুমকিতে পরিবেশ “মাননীয় সংসদ সদস্য ইমরান চৌধুরীর প্রতি একটি খোলা চিঠি” নেত্রকোনায় অধিগ্রহণকৃত জমির মূল্য নির্ধারণে অনিয়মের অভিযোগ, ন্যায্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে পাঁচ শতাধিক মানুষের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি অপরাধ দমনে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্প নিচ্ছে সিসিক পর্যায়ক্রমে সিলেটকে একটি দৃষ্টিনন্দন, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই সবুজ নগরীতে রূপান্তর করা হবে – সিসিক প্রশাসক  দোয়ারাবাজারে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত ধর্ষক গ্রেফতার ক্যানসারে আক্রান্ত আব্দুল মজিদ বাঁচতে চায়
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৮:১৫ অপরাহ্ন

সরকারি দুই কর্মকর্তার সম্মানীর অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ।

স্টাফ রিপোর্টার / ২২৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৪ মার্চ, ২০২৫

77

নাটোর প্রতিনিধি:

নাটোরের বাগাতিপাড়া ইউএনও কার্যালয়ের উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা বজলুর রশিদের বিরুদ্ধে উপজেলার দুই কর্মকর্তার সম্মানী ভাতা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল সোমবার (৩রা মার্চ) ওই দুই কর্মকর্তা অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা সমাজসেবা ও যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ২০২৪ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় ট্যাগ অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সমাজসেবা কর্মকর্তা উপজেলার কাদিরাবাদ ক্যান্টনমেন্ট স্যাপার কলেজে এবং যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা দয়ারামপুর কলেজে দায়িত্ব পালন করেন। ট্যাগ অফিসারের সম্মানী বাবদ কাদিরাবাদ ক্যান্টঃ স্যাপার কলেজ ১ হাজার ২শ টাকা এবং দয়ারামপুর কলেজ ২ হাজার ইউএনও কার্যালয়ের উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা বজলুর রশিদের কাছে প্রদান করে। টাকা প্রাপ্তির ৪ মাস পেরিয়ে গেলেও সম্মানীর টাকা বুঝিয়ে না দেওয়ায় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে গতকাল সোমবার (৩ মার্চ) জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সচিব,রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার,জেলা প্রশাসক ও ইউএনও বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন ওই দুই কর্মকর্তা।

এবিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, কলেজ কর্তৃপক্ষ সম্মানীর টাকা বজলুর রশিদের কাছে বুঝিয়ে দেন। সেই টাকা আমাদের বুঝিয়ে না দিয়ে তিনি নিজেই আত্মসাৎ করেছে। টাকা না পেয়ে বাধ্য হয়ে আমরা লিখিত অভিযোগ করেছি।

উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুস সবুর বলেন, দায়িত্ব পালন করার চার মাস পরেও টাকা না পেয়ে অভিযোগ করেছি। যেহেতু অভিযোগ করেছি, তাই এরপরে টাকা দিতে আসলেও গ্রহন করিনি।

ইউএনও কার্যালয়ের উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা বজলুর রশিদ বলেন, কলেজ থেকে টাকা দিয়ে গেলেও পরে এবিষয়টা আমার মনে ছিল না। কয়েকদিন আগে টাকা বুঝিয়ে দিতে চাইলেও তারা টাকা নিতে চাননি।

বাগাতিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হা-মীম তাবাসসুম প্রভা বলেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ