শিরোনাম
হরিরামপুরে বয়ড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত । গোয়াইনঘাটে পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন এজাহার ভুক্ত আসামি গ্রেফতার ৮ ভোলায় গ্রাম বাংলা জনকল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ বাউফলে ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ ময়মনসিংহের চরপাড়া এলাকায় যানজট নিরসনের দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত  শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে জাতীয় ক্রীড়া উৎসব  কানাইঘাটে থানার দালাল সফিরের ক্ষমতার বাহাদুরি গোয়াইনঘাটে স্থানীয় পুলিশের ‘লাইনম্যান’ পরিচয়ে বেপরোয়া চাঁদাবাজি নেপথ্যে কামাল ও আল-আমিন- গোয়াইনঘাটে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ হলো বাল্যবিবাহ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বেগম খালেদা জিয়া ইতিহাসে অমর. সীমিত আয়ের মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরন
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:১১ পূর্বাহ্ন

সাগর-রুনি হত্যাকান্ড : ১৩ বছরেও সুরাহা হয়নি! 

স্টাফ রিপোর্টার / ১৭৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫

সিলেট বুলেটিন ডেস্ক:

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যার তদন্তে আগের সরকারের পক্ষ থেকে বাধা দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন বাদীর আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।

মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি )সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে তিনি বলেন, “তদন্ত কমিটির সংশ্লিষ্টরা আমাদের জানিয়েছেন, আগের সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে তদন্তে বাধা দেওয়া হতো। এ কারণে তদন্ত আগায়নি।”

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় খুন হন সাংবাদিক দম্পতি সাগর – রুনি। তাদের একমাত্র ছেলে মাহির সারোয়ার মেঘ তখন মাত্র পাঁচ বছর বয়সী ছিল।

সাগর সে সময় মাছরাঙা টিভিতে ও রুনি এটিএন বাংলায় কর্মরত ছিলেন। হত্যার ঘটনায় রুনির ভাই নওশের আলী রোমান শেরেবাংলা থানায় মামলা করেন। তবে ১৩ বছর পেরিয়ে গেলেও তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি।

আইনজীবী শিশির মনির জানান, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর হাই কোর্ট মামলাটি তদন্তের জন্য উচ্চ পর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন করেছে। আগামী ৪ এপ্রিলের মধ্যে তাদের তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, টাস্কফোর্সের তদন্ত ‘অনেকদূর’ এগিয়েছে।

মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবী শিশির মনিরের সঙ্গে মামলার বাদী নওশের রোমান ও সাগর-রুনির ছেলে মাহির সারোয়ার মেঘ উপস্থিত ছিলেন।

মামলা দায়েরের পর তদন্তের দায়িত্ব প্রথমে শেরেবাংলা নগর থানাকে দেওয়া হয়। তিন দিন পর তা গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল মামলাটি র‌্যাবের কাছে দেওয়া হয়।

হত্যাকাণ্ডের পর তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে খুনিদের রহস্য উদ্ঘাটন করে তা জাতির সামনে প্রকাশ করা হবে। কিন্তু এক যুগ পেরিয়ে গেলেও সে রহস্যের উদ্ঘাটন সম্ভব হয়নি।

২০২3 সালের ৩০ সেপ্টেম্বর হাই কোর্ট মামলার তদন্ত থেকে র‌্যাবকে বাদ দিয়ে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেয় এবং ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার সময়সীমা নির্ধারণ করে। বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও মুহাম্মদ মাহবুব উল ইসলামের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ